দুবাইয়ে ফ্রি জোনের ব্যবসায়ীদের জন্য নতুন সুযোগ

ব্যবসার জন্য নতুন নীতিমালা ঘোষণা করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) দুবাই কর্তৃপক্ষ।

ব্যবসার জন্য নতুন নীতিমালা ঘোষণা করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) দুবাই কর্তৃপক্ষ। এর মাধ্যমে বিশেষায়িত ফ্রি জোন অঞ্চলের জন্য নিবন্ধিত কোম্পানিগুলো শহরটির অন্যান্য এলাকায় কাজ করতে পারবে। তবে প্রতিষ্ঠানগুলোকে দুবাই ইকোনমিক অ্যান্ড ট্যুরিজম ডিপার্টমেন্ট (ডিইটি) থেকে প্রয়োজনীয় লাইসেন্স নিতে হবে। খবর দ্য ন্যাশনাল।

দুবাইয়ের নির্বাহী পরিষদের চেয়ারম্যান, উপপ্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী যুবরাজ শেখ হামদান বিন মোহাম্মদ এ নির্দেশনা জারি করেন।

এতে বলা হয়েছে, ফ্রি জোন কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে লাইসেন্স পাওয়া যেকোনো কোম্পানি বা প্রতিষ্ঠান ওই অঞ্চলের বাইরে ও দুবাইয়ের মধ্যে যেকোনো জায়গায় কাজ করতে পারবে। তবে এটি দুবাই ইন্টারন্যাশনাল ফাইন্যান্সিয়াল সেন্টারের মধ্যে ব্যবসা পরিচালনার জন্য লাইসেন্সপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।

দুবাই মিডিয়া অফিস জানিয়েছে, প্রতিষ্ঠানগুলোকে তাদের কার্যক্রমের সঙ্গে প্রযোজ্য কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নিয়মকানুন মেনে চলতে হবে। ফ্রি জোনের বাইরে পরিচালিত কার্যক্রমের জন্য পৃথক আর্থিক রেকর্ড বজায় রাখতে হবে। এছাড়া কোনো কোম্পানি যদি দুবাইয়ের বাইরে কাজ করতে চায়, তবে তাদের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় লাইসেন্স ও পারমিট নিতে হবে।

প্রস্তাবটিতে লাইসেন্সের প্রয়োজনীয়তা, পারমিট দেয়ার পদ্ধতি ও কোম্পানির কর্মী নিয়োগের শর্তাবলিও উল্লেখ রয়েছে। এ লাইসেন্সগুলো এক বছরের জন্য বৈধ এবং পরে তা নবায়ন করা যাবে।

নিয়মটি দুবাইয়ের অর্থনৈতিক এজেন্ডা ‘দুবাই ২০৩৩’ বা ডি-৩৩-এর অংশ। এর লক্ষ্য হলো ২০৩৩ সালের মধ্যে দুবাইয়ের অর্থনীতিকে বর্তমানের তুলনায় দ্বিগুণ অর্থাৎ ৩২ লাখ কোটি দিরহাম বা ৮ লাখ ৭১ হাজার কোটি ডলারে উন্নীত করা। এ লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হলে বিশ্বের শীর্ষ তিনটি শহরের একটি হবে দুবাই। ডি-৩৩ পরিকল্পনার আরো একটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য হলো ২০৩৩ সালের মধ্যে ৩০টি বেসরকারি কোম্পানিকে ইউনিকর্ন হিসেবে গড়ে তোলা। ইউনিকর্ন শব্দটি মূলত এমন স্টার্ট-আপ কোম্পানির জন্য ব্যবহার হয়, যার আকার ১০০ কোটি ডলার বা তার বেশি।

গত বছরের প্রথম নয় মাসে (জানুয়ারি-সেপ্টেম্বর) দুবাইয়ের অর্থনীতি ৩ দশমিক ১ শতাংশ বেড়ে ৩৩ হাজার ৯৪০ কোটি দিরহামে পৌঁছেছে। এ প্রবৃদ্ধিতে ভূমিকা রেখেছে পাইকারি ও খুচরা বাণিজ্য, পরিবহন ও সঞ্চয় এবং আর্থিক ও বীমা কার্যক্রমসহ বেশ কয়েকটি ক্ষেত্রে অগ্রগতি।

আরও